আরও দেখুন
বিটকয়েনের মূল্য আজ ফেব্রুয়ারির সর্বোচ্চ লেভেল অতিক্রম করে $74,400-এ পৌঁছেছে। এমনকি ইথেরিয়ামের মূল্যও $2,200 অতিক্রম করেছে এবং প্রতিদিনই বাড়ছে।
এসব মিলিয়ে ফিয়ার ও গ্রিড ইনডেক্সের মান 15 থেকে 23 পয়েন্টে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে নির্দেশ করে। এই সূচকটির মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়, যাতে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা পাওয়া যায়। সূচকটির চরম ফিয়ার জোন থেকে নিউট্রাল জোনে উঠে আসা একটি ইতিবাচক সংকেত—এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।
সূচকের 15 থেকে 23 পয়েন্টে উঠে আসায় মার্কেটের বহু ট্রেডার তাদের কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করতে প্ররোচিত হচ্ছে। সাধারণত 15 লেভেল আতঙ্কজনিত বিক্রয় ও সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে, যেখানে যৌক্তিকতার বিপরীতে আতংক প্রাধান্য বিস্তার করে। অন্যদিকে সূচকটি 23 পয়েন্টে আসায়, যদিও এখনও সূচকটি ফিয়ার জোনে রয়েছে, তবু এটি স্পষ্টভাবে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা প্রদর্শন করে। এর মানে হচ্ছে বিনিয়োগকারীরা সম্ভাব্য লাভের সুযোগ দেখতে শুরু করেছেন, যদিও উদ্বেগ এখনও বজায় রয়েছে।
ফিয়ার ও গ্রিড ইনডেক্সের এ ধরনের গতিবিধি সাধারণত মূল্য বৃদ্ধির একটি পর্যায়ের পূর্বাভাস দেয়। সম্প্রতি নেতিবাচক পরিস্থিতির কারণে চাপের মুখে থাকা একটি মার্কেটে এখন পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আশংকা কমে গেলে এবং লোভ সেই স্থান দখল করলে, বিনিয়োগকারীরা আরও বেশি করে ক্রিপ্টো অ্যাসেট কেনেন, যা চাহিদা বাড়িয়ে তোলে। এটি পরোক্ষভাবে ক্রিপ্টো অ্যাসেটের মূল্য বাড়তে প্ররোচিত করতে পারে এবং পরিস্থিতিকে আরও দৃঢ়ভাবে ইতিবাচক করে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামের মূল্যের যেকোনো উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ট্রেডিং চালিয়ে যাবো, প্রত্যাশা করছি যে দীর্ঘমেয়াদে মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে।
স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিংয়ের কৌশল ও শর্তাবলী নিচে বর্ণনা করা হলো।
বিটকয়েন
পরিকল্পনা #1: বিটকয়েনের মূল্য $75,000-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে $74,300-এর এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি এটি কিনব। মূল্য $75,000-এর লেভেলে কাছাকাছি পৌঁছালে আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বাউন্সের ক্ষেত্রে অবিলম্বে শর্ট পজিশন ওপেন করব। ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে ক্রয় করার আগে, নিশ্চিত করুন যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের নিচে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর পজিটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি $73,400 লেভেলের ব্রেকআউট হয়ে মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে মার্কেটে কোন বিয়ারিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেলে থেকে বিটকয়েন কেনার আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং মূল্যের $74,300 এবং $75,000-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: বিটকয়েনের মূল্য $72,400-এর লেভেলে দরপতনের লক্ষ্যে $73,400-এর লেভেলে পৌঁছালে আমি এটি বিক্রি করব। মূল্য $72,400-এর লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছালে আমি বিটকয়েনের শর্ট পজিশন ক্লোজ করব এবং বাউন্সের ক্ষেত্রে অবিলম্বে লং পজিশন ওপেন করব। ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে বিক্রির আগে নিশ্চিত করুন যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের উপরে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর নেগেটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি $74,300 লেভেলের ব্রেকআউট হয়ে মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে মার্কেটে কোন বুলিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেলে থেকে বিটকয়েন বিক্রির আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং মূল্যের $73,400 এবং $72,400-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: ইথেরিয়ামের মূল্য $2,319-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে $2,282-এর লেভেলে পৌঁছালে আমি এটি কিনব। মূল্য $2,319-এর লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছালে আমি ইথেরিয়ামের লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বাউন্সের ক্ষেত্রে শর্ট পজিশন ওপেন করব। ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে ক্রয় করার আগে, আমি নিশ্চিত করব যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের নিচে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর পজিটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি $2,254 লেভেলের ব্রেকআউট হয়ে মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে মার্কেটে কোনো বিয়ারিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেল থেকে ইথেরিয়াম কেনার আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং মূল্যের $2,282 এবং $2,319-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: ইথেরিয়ামের মূল্য $2,220-এর লেভেলে দরপতনের লক্ষ্যে $2,254-এর এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি ইথেরিয়াম বিক্রি করব। মূল্য $2,220 লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করব এবং বাউন্সের ক্ষেত্রে অবিলম্বে লং পজিশন ওপেন করব। ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে বিক্রির আগে নিশ্চিত করুন যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের উপরে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর নেগেটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি মূল্য $2,282-এর লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ফলে মার্কেটে কোনো বুলিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেল থেকে ইথেরিয়াম বিক্রির আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং $2,254 ও $2,220-এর দিকে দরপতনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।